Bogurar Special Khirsa
1,030৳ – 5,000৳
বগুড়ার স্পেশাল খিরসা

বগুড়ার স্পেশাল খিরসা
৭ কেজি দুধের নির্জাস পাচ্ছেন ১ কেজি খিরসাতে।
অতিথির তৃপ্তি যদি হয় আপনার সন্তুষ্টি। তাহলে খিরসাই হবে আপনার জন্য একটি উত্তম রেসিপি।
খিরসা দইয়ের চাইতে অধিক সুস্বাদু। দির্ঘদিন ফ্রিজিং করে রাখলেও স্বাদের কোন কমতি হয় না। তাই অতিথি আপ্যায়নে খুবই উপযোগী।
দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে অর্ডার করলেই পেয়ে যাবেন সুবিক্ষাত বগুড়ার খিরসা। তাই নিজে খেতে ও অতিথিকে খাওয়াতে আজই অর্ডার করুন। ২ কেজি নিলে ডেলিভারি চার্জ ফ্রী |
অর্ডার করতে কল করুন ০১৭৪০৯২২৯৩৩
খিরসা তৈরির উপকরণ উপকরন:
১.দেশি গাভির খাঁটি দুধ দিয়ে তৈরি।
২. কিছু চিনি ।
কেন আমাদের মিষ্টি খাওয়া উচিত ?
৭ কেজি দুধের নির্জাস পাচ্ছেন ১ কেজি খিরসাতে।
খিরসা দইয়ের চাইতে অধিক সুস্বাদু। দির্ঘদিন ফ্রিজিং করে রাখলেও স্বাদের কোন কমতি হয় না। তাই অতিথি আপ্যায়নে খুবই উপযোগী।
প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে, দেখে, কোয়ালিটি চেক করে পেমেন্টে করার সুবিধা।
প্রোডাক্ট পছন্দ না হলে সাথে সাথে রিটার্ন দিতে পারবেন ।
সারা বাংলাদেশে কুরিয়ারের মাধ্যমে হোম ডেলিভারি পাবেন ।
যে কোন সময় আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন ।
মিষ্টির উপকারিতাঃ
১. মিষ্টি তৈরিতে দুধ/ছানা ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তাই, মিষ্টি আমাদের দাঁত ও হাড়ের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
২. খাদ্য গ্রহণের পরে সেই খাদ্য হজম করার জন্যে আমাদের পাকস্থলীতে অ্যাসিড ক্ষরণ শুরু হয়। ঝাল বা তেলমশলাযুক্ত খাবার খেলে অ্যাসিড ক্ষরণের পরিমাণ বাড়ে। অতিরিক্ত এসিড ক্ষরণের ফলে পরিপাক ক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে এমনকি পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন অসুখ দেখা দিতে পারে। মিষ্টিজাতীয় খাবার এই অ্যাসিড ক্ষরণের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। এর ফলে পরিপাকক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হতে পারে।
৩. বেশি পরিমাণে তেলে ভাজা বা মিল খাওয়ার পর শরীরের রক্তচাপ অনেকাংশেই কমে যায়। এই অবস্থায় মিষ্টি জাতীয় খাবার রক্তচাপকে স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। এবং আমাদের স্বস্তি এনে দেয়।
৪. সকালে নাস্তায় মিষ্টি খেলে সারাদিন কম খাদ্য গ্রহণ ও শর্করা ক্রেভিং কমে,ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে, মিষ্টি দারুণ ভূমিকা পালন করে।৫. শারীরিক/কায়িক পরিশ্রমী লোকদের জন্য শক্তির ভালো উৎস মিষ্টি। বিশেষ করে স্বল্প আয়ের অধিক পরিশ্রমী পেশাজীবীদের চাহিদা পূরণে মিষ্টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে ।
৬. ডায়াবেটিস রোগীদের বাসায় মিষ্টি থাকা দরকার কারণ ডায়বেটিস কমে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে মিষ্টি খাওয়া আবশ্যক তাছাড়া জীবন নাশের সম্ভাবনা থাকে।
মিষ্টির অপকারিতাঃ
১. অতিরিক্ত পরিমাণে মিষ্টি খাওয়া কখনোই শরীরের পক্ষে ভাল নয়। অতিরিক্ত পরিমাণে মিষ্টি খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
Reviews
There are no reviews yet.